বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৬:০১ অপরাহ্ন

Welcome! Thank you for visiting our newspaper website.
প্রধান সংবাদ :
গৌরনদীতে সম্পত্তি দখলের পাঁয়তারায় চলাচলের রাস্তা কেটে ফেলে নরসুন্দরকে নির্যাতন মানুষ মদিনার ইসলামে বিশ্বাসী, ‘মওদুদীর ইসলামে’ নয় : সালাহউদ্দিন আহমেদ কবে দেশে ফিরছেন তারেক রহমান, জানালেন পিএস নূরউদ্দিন অপু বাকেরগঞ্জে বিএনপি নেতাদের ওপর সন্ত্রাসী হামলার মামলায় ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার বানারীপাড়ায় অগ্নিকান্ডে দুটি বসত ঘর পুড়ে ছাই বরিশালে এখন সাংবাদিকতা মানে চা আর কমিশন! ট্রাম্পের ভাষণের সময় ইসরায়েলের পার্লামেন্টে ‘ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি’র দাবি তুলেছেন এমপি আইমান ও কাসিফ দ্রুত দেশে ফিরে নির্বাচনে অংশ নিবেন তারেক রহমান বরিশাল মৎস্যজীবী দলের সভাপতি রুস্তম আলী মল্লিকের বিরুদ্ধে অর্থের বিনিময়ে আওয়ামী লীগের দোসরদের পুনর্বাসনের অভিযোগ বরিশালে সুরুজ গাজী হত্যার নেপথ্যে যুবদল নেতা উলফাত রানা রুবেলের চাঁদাবাজির ভাগ-বাটোয়ারা!
জিয়াউর রহমান ১৪০০ সেনা-বিমান বাহিনীর কর্মকর্তাকে হত্যা করেছে সেই বিচারটা হোক

জিয়াউর রহমান ১৪০০ সেনা-বিমান বাহিনীর কর্মকর্তাকে হত্যা করেছে সেই বিচারটা হোক

জিয়াউর রহমান ১৪০০ সেনা-বিমান বাহিনীর কর্মকর্তাকে হত্যা করেছে সেই বিচারটা হোক
জিয়াউর রহমানের শাসনামলে সশস্ত্র বাহিনীতে হাজার হাজার সৈনিক হত্যাকাণ্ড ঘটে। জিয়া হত্যার ঘটনায় প্রহসনমূলক বিচারে ফাঁসি দেওয়া হয় ১৩ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে। ১৯৭৭ এর ২ অক্টোবর থেকে বিচারের নামে হত্যাযঞ্জ চালিয়েছিল। জিয়াউর রহমান যে ১৪০০ সেনা-বিমান বাহিনীর কর্মকর্তাকে হত্যা করেছে সেই বিচারটা হোক। সোমবার (৭ নভেম্বর) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারবর্গের আয়োজনে ‘মুক্তিযোদ্ধা সৈনিক হত্যা দিবস’র আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

বিশেষ প্রতিনিধি : ইউনিভার্সেল নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম : জিয়াউর রহমানের শাসনামলে সশস্ত্র বাহিনীতে হাজার হাজার সৈনিক হত্যাকাণ্ড ঘটে। জিয়া হত্যার ঘটনায় প্রহসনমূলক বিচারে ফাঁসি দেওয়া হয় ১৩ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে। ১৯৭৭ এর ২ অক্টোবর থেকে বিচারের নামে হত্যাযঞ্জ চালিয়েছিল। জিয়াউর রহমান যে ১৪০০ সেনা-বিমান বাহিনীর কর্মকর্তাকে হত্যা করেছে সেই বিচারটা হোক। সোমবার (৭ নভেম্বর) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারবর্গের আয়োজনে ‘মুক্তিযোদ্ধা সৈনিক হত্যা দিবস’র আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
হত্যাকাণ্ডের শিকার এসব মুক্তিযোদ্ধা সন্তানরা সেসময়ের ঘটনা নিয়ে তদন্ত কমিশন গঠন ও জিয়াউর রহমানের মরণোত্তর বিচার দাবি করেছেন। একইসাথে জিয়াউর রহমানের কবর জাতীয় সংসদ ভবন এলাকা থেকে সরিয়ে দেওয়ার দাবি করেছেন।

৭ নভেম্বর জিয়াউর রহমান অভ্যুত্থান ঘটিয়ে ক্ষমতা নেন

১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর জিয়াউর রহমান যখন অভ্যুত্থান ঘটিয়ে ক্ষমতা নেন, তার অনুগত সৈনিকদের হাতে প্রথম প্রকাশ্যে হত্যার শিকার হন সেক্টর কমান্ডার খালেদ মোশারফ, এটি এম হায়দার ও সাব সেক্টর কমান্ডার খন্দকার নাজমুল হুদা। এই দিনটি কেন্দ্র করে ১৯৭৬ সালের ২১ জুলাই স্বাধীন দেশে প্রথম ফাঁসিতে মৃত্যুবরণ করেন আরেকজন সেক্টর কমান্ডার। এছাড়া সেনাবাহিনীর ভেতরে ১৩ জন হত্যার শিকার হন।

আমার বাবার খুনি জিয়া : শহীদ সার্জেন্ট দেলোয়ার হোসেনের সন্তান নুরে আলম

শহীদ সার্জেন্ট দেলোয়ার হোসেনের সন্তান নুরে আলম বলেন, আমার বাবার খুনি জিয়া। জিয়াউর রহমান আমার বাবাসহ হাজার মুক্তিযোদ্ধা কর্মকর্তা-সৈনিকদের হত্যাকারী। আমার বাবাকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে। অথচ আমাদের পরিবারকে চিঠি পাঠানো হয়েছে তিনি জেলে আছেন। কিসের মানবাধিকারের কথা বলে বিএনপি, তখন কোথায় ছিল মানবাধিকার? এ সময় হত্যাকাণ্ডগুলো নিয়ে একটি শ্বেতপত্র প্রকাশের দাবি করেন নুরে আলম।

শহীদ মেজর জেনারেল খালেদ মোশাররফ বীরউত্তমের মেয়ে মাহজাবিন খালেদ আক্ষেপ করে বলেন, স্বাধীন দেশে আছি, আওয়ামী লীগ সরকার আছে- তারপরও বিচার কী হবে না।

শহীদ মেজর জেনারেল খালেদ মোশাররফ বীরউত্তমের মেয়ে মাহজাবিন খালেদ বলেন, যদি আমার চেহারা দেখেন বাবার চেহারা ভাসে। বিএনপি-জাসদকে বলবো আপনারা বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন করেন। মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যার দিন কিসের বিপ্লব ও সংহতি! আপনারা ইতিহাসকে বিতর্কিত করবেন না। এ সময় আক্ষেপ করে তিনি বলেন, স্বাধীন দেশে আছি, আওয়ামী লীগ সরকার আছে- তারপরও বিচার কী হবে না।

জিয়াউর রহমান যে ১৪০০ সেনা-বিমান বাহিনীর কর্মকর্তাকে হত্যা করেছে সেই বিচারটা হোক : বীর মুক্তিযোদ্ধা সার্জেন্ট সাঈদুর রহমানের সন্তান কামরুজ্জামান মিয়া লেলিন

বীর মুক্তিযোদ্ধা সার্জেন্ট সাঈদুর রহমানের সন্তান কামরুজ্জামান মিয়া লেলিন বলেন, বিচার অবশ্যই করা উচিত- এটা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হয়েছে, বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচার হয়েছে। জিয়াউর রহমান যে ১৪০০ সেনা-বিমান বাহিনীর কর্মকর্তাকে হত্যা করেছে সেই বিচারটা হোক।

আমার বাবাকে সংসদ ভবনে হাঁটার সময় হত্যা করা হয় : শহীদ কর্নেল খন্দকার নাজমুল হুদা বীরবিক্রমের কন্যা নাহিদ ইজাহার খান

শহীদ কর্নেল খন্দকার নাজমুল হুদা বীরবিক্রমের কন্যা নাহিদ ইজাহার খান বলেন, আমার বাবাকে সংসদ ভবনে হাঁটার সময় হত্যা করা হয়। ভাবছিলাম বাবা শেষ কি বলতে চেয়েছিলেন। আমি তখন ৫ বছর, আমার ভাই ৮ বছর। আমি তখন বুঝতাম না মৃত্যু কী জিনিস। আমার বাবার মৃত্যুই প্রথম মৃত্যু। বাবাকে দেখলাম খাটিয়ায়, তাকে দাফন করলাম ১০ ডিসেম্বর। আমার মনে হয় বাবা শেষ কথা হিসেবে বলতে চেয়েছিল, জাতীয় সংগীত ও জাতীয় পতাকাকে যেন সবসময় সম্মান করি।
তিনি বলেন, আমরা দুবছর কোনো স্কুলে পড়তে পারিনি। জিয়াউর রহমানের এখনে যে ছবি আছে- দেখেন কী হিংস্র চোখ। এক মিনিটের শুনানিতে ফায়ারিং স্কোয়াডে নিয়ে যেত হত্যা করতে বা ফাঁসিতে ঝোলাতো। জিয়ার তৎকালীন এডিসি মীর সাবিউল আলম জানিয়েছেন, তিনি নির্লিপ্তভাবে সই করে দিতো। তখন মানবাধিকার সংস্থা কোথায় ছিল?
তিনি আরও বলেন, বিএনপি এখন পর্যন্ত এদেশে স্বাধীনতাবিরোধী স্লোগান দিয়ে যাচ্ছে। এদেশে তাদের বিচার হওয়া উচিত। খুনি জিয়া ও যুদ্ধাপরাধীদের যে কবর রয়েছে সেই কবর সরিয়ে ফেলা হোক সংসদ ভবন থেকে।
এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের দায় রয়েছে বলে উল্লেখ করেন ইজাহার খান। তিনি বলেন, উনি ২ নম্বর সেক্টর কমান্ডার, উনার কমান্ডার খালেদ মোশাররফ। এই অপরাধগুলো, অন্যায়গুলোর বিচার হোক। এসময় শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের মরণোত্তর গার্ড অব অনার দেওয়ার দাবি করেন তিনি।

জিয়ার কবর জাতীয় সংসদ ভবন এলাকা থেকে সরিয়ে ফেলতে হবে : মেজর জেনারেল (অব.) গোলাম হেলাল মোর্শেদ খান বীরবিক্রম

মেজর জেনারেল (অব.) গোলাম হেলাল মোর্শেদ খান বীরবিক্রম বলেন, ৭ নভেম্বর মুক্তিযোদ্ধা হত্যা দিবস। খুনি জিয়ার কবর জাতীয় সংসদ ভবন এলাকা থেকে সরিয়ে ফেলতে হবে। তাহলে এখানে উত্থাপিত অন্য দাবিও পূরণ হবে। বে-আইনীভাবে যাদের বিচার হয়েছে তাদের আত্মা শান্তি পাবে।
সশস্ত্র বাহিনীতে ৭ নভেম্বর থেকে ঘটা বিভিন্ন হত্যাকাণ্ড নিয়ে গবেষণা করেছেন লেখক ও সাংবাদিক আনোয়ার কবির। মুক্তিযোদ্ধা সৈনিক হত্যা দিবস’র আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, তদন্ত কমিশন গঠন করে কোর্ট অব ইনকোয়ারি করা হোক। হত্যার বিচার যেকোনো সময় করা যায়।
সশস্ত্র বাহিনীতে মুক্তিযোদ্ধা সৈনিক-কর্মকর্তা হত্যাকাণ্ড নিয়ে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড দিয়ে শুরু আর সর্বশেষ জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ড দিয়ে শেষ হয়। জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডে ১৩ জন মুক্তিযোদ্ধা সেনা কর্মকর্তাকে ফাঁসি দেওয়া হয়। সবগুলো হত্যাকাণ্ডের শিকার ছিলেন মুক্তিযোদ্ধার।
বিচার প্রক্রিয়া সম্পর্কে এ গবেষক বলেন, বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক রায়ে স্পষ্ট বলেছেন, এ ঘটনাগুলো আদালতে তদন্ত কমিশন গঠন করতে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীও যেন কোর্ট অব ইনকোয়ারির ব্যবস্থা করে। সেটা যদি না করে, সেনাবাহিনী কী জবাব দেবে জাতির কাছে? সেনাবাহিনীকে তো একটা জবাব দিতে হবে। সেনাবাহিনীকে দায়মুক্তি পেতে হলে কোর্ট অব ইনকোয়ারি করতে হবে। না হলে কীভাবে দায়মুক্তি পাবে। সেনাবাহিনীকে দায়মুক্তির প্রয়োজনে এটা করতে হবে।

রক্তের হোলি খেলা যারা করেছেন তাদের অবশ্যই বিচারের মুখোমুখি হতে হবে : স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী

এ আলোচনা সভায় বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটির সভাপতি ও ‘১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারবর্গের সমন্বয়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ড. খন্দকার বজলুল হকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। এ সময় তিনি শহীদ সন্তানদের উদ্দেশ্যে তদন্ত কমিটি গঠন হচ্ছে বলে জানান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, বিপ্লবের নাম করে ১৯৭৫ সালে হত্যা করলো। ১৯৭৭ সালে জাপানি বিমান ছিনতাই হলো, পরে প্রচার করলো ক্যু হয়েছে। ক্যুর নাম করে হত্যা করেছে। কথায় কথায় মৃত্যুর হোলি খেলা করেছে সেসব ঘটনার বিচার হবে। এজন্য তদন্ত কমিটিও হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী ন্যায়ের পক্ষে আছেন, তিনি যখন আছেন বিচার হবেই। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচার শেখ হাসিনা করেছেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নির্বিচারে সেনা কর্মকর্তাদের হত্যার পর তাড়াতাড়ি লাশ কোথায় দাফন করা হয়েছে তাও তাদের পরিবার জানে না। আমরা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করেছি। বিচারের পর লাশ তাদের আত্মীয়-স্বজনের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছি। এটিও তারা (সৈনিক ও মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবার) পায়নি। এজন্যই আজ তারা হত্যার বিচার চাচ্ছে। আমরা আশা করছি তারা জীবিত অবস্থায় এই হত্যাকাণ্ডের বিচার দেখে যাবে। কথায় কথায় মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা, কথায় কথায় মুক্তিযোদ্ধাদের বিরূপ পরিস্থিতিতে নিয়ে যাওয়ার, রক্তের হোলি খেলা যারা করেছেন তাদের অবশ্যই বিচারের মুখোমুখি হতে হবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আসাদুজ্জামান নূর এমপি বলেন, বঙ্গবন্ধু যখন ছয় দফা ঘোষণা করেন, তখন স্বাধীনতা বিরোধীরা অনুধাবন করেছিল এই দাবির মধ্যে স্বাধীনতার বীজ রয়েছে। আর তখন থেকেই তারা ষড়যন্ত্র শুরু করেছিল। মুক্তিযুদ্ধের বীরত্ব নিয়ে অনেক বই প্রকাশিত হয়েছে। কিন্তু কোনও বইয়ে জিয়াউর রহমানের যুদ্ধ নিয়ে, যুদ্ধ সংশ্লিষ্টতা নিয়ে কোনও তথ্য প্রমাণ পাওয়া যায় না। কেন পাওয়া যায় না? কারণ, তিনি যুদ্ধে যাননি। দেশে ফিরে এসে প্রথম দিন থেকেই ষড়যন্ত্র শুরু করেছেন। সেজন্যই আমি বলি এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি, সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্র।

খুনি জিয়া তার রাজত্ব শুরু করেছিল বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে : বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক

বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক বলেন, যত গণহত্যা হয়েছে, ১৯৭৫ সালের নভেম্বরে সংঘটিত এই গণহত্যা তার মধ্যে অন্যতম। সেগুলোর মধ্যেই নভেম্বরের এই গণহত্যার পার্থক্য হলো, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য যারা মুক্তিযুদ্ধ করেছিলেন তাদের শেষ করে দেওয়ার জন্য পাকিস্তানি প্রভুদের নির্দেশনায় এই গণহত্যা চালানো হয়। এই ঘটনার খুনি জিয়া তার রাজত্ব শুরু করেছিল বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে। সেখানেও তার একই উদ্দেশ্য ছিল। এরপর সে আরেকটি হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছিল ৩ নভেম্বর জেলখানায়, জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করে।

৭৭ সালে ১৫শ’ মুক্তিযোদ্ধাকে বিচারের নামে প্রহসনের মাধ্যমে হত্যা করা হয়

বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক বলেন, ১৯৭৭ সালে একটি জাপানি বিমান হাইজ্যাকের ঘটনায়, যার সঙ্গে বাংলাদেশ সামরিক বাহিনী বা বিমান বাহিনীর কোনও সম্পর্কই নেই, এর সূত্র ধরে পাকিস্তানি প্রভুদের নির্দেশনায় মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা করে। সেখানে প্রায় ১৫শ’ মুক্তিযোদ্ধাকে বিচারের নামে প্রহসনের মাধ্যমে হত্যা করা হয়। সেখানে বিচারের বিন্দুমাত্র উপাদানও ছিল না। এমনকি হত্যার পর লাশগুলো তাদের আত্মীয়-স্বজনের কাছে দেওয়া হয়নি। এ সময় তিনি সংসদ ভবন এলাকা থেকে জিয়াউর রহমানের কবর সরিয়ে দেওয়ার এবং এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের মরণোত্তর বিচার দাবি করেন।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved ©2022-2026 universalnews24.com
Design By Ahmed Jalal.
Design By Rana